..
#আজ মনে হচ্ছে সেইসব নরপিশাচ দের কথা যারা ধর্ষণ করে।।
.
শনিবারে জীববিজ্ঞান পরীক্ষা। দুধ খেয়ে এসে একটান হলাম বিছানার ওপর।রাত ১১:৪০ বাজে। বইয়ের পাতা একটানে উল্টাতেই বের হয়ে এলো ১০০ পৃষ্ঠা। ওই অংশটির নাম “মানুষের হৃদপিন্ডের গঠন”।আরেকটু পরেই বের হয়ে এলো কার্ডিয়াক চক্র এবং মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি। চিত্র আকারে সবই দেয়া। হঠাৎ চোখ বুজলাম। সামনে দেখতে পেলাম একটি নগ্ন সুন্দরী বালিকা।তারপর চোখ বুঝলাম। আবার চিত্র দেখলাম। আবারো চোখ বুজলাম। মনে পরলো আজকে রাতের কথা; আজ তো নববর্ষ এর প্রথম রাত। তখন দেখালাম 3D এর মতো ওই মেয়ের স্তনের ভিতরের ত্রিমাত্রিক জগৎ বা তার দেহের ভিতরে দেখতে পাচ্ছি।
।
সামনেই তার একজন লম্পট লোক দাঁড়িয়ে আছে। তার চোখ ভরা ধর্ষণের কামনা।কিন্তু সে যদি জানতো তার মর্দনকরা স্তন দুটির ভেতরে রয়েছে হাজারো কোটি স্নায়ু! এখানে রয়েছে রক্ত, রক্তকণিকা, আর রয়েছে হাজারো নিউক্লিয়াস। বুকের ভেতরে রয়েছে ৩৩ টি অস্থি দ্বারা গঠিত একটি মেরুদণ্ড! তার ভেতরে রয়েছে ৩০০ গ্রাম ওজনের একটি হৃদপিন্ড যা একটি সুস্থ মানুষের জীবদ্দশায় ২৬০০ মিলিয়ন বার স্পন্দিত হয়ে ভেন্ট্রিকল থেকে ১৫৫ মিলিয়ন লিটার রক্ত বের করে দেয়!
ধর্ষণের সময় যখন ওই স্তন দুটোয় চাপ পরে তখন হৃদপিন্ডটি যেনো চিৎকার করে বলে ছেড়ে দাও ওই দুটোকে। আমার যে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে! তারপরেও ছাড়ে না ওই কাপুরুষটি। তখন ওই অবিরাম কষ্টের মাঝেই নিজের কাজ চালিয়ে যায় ও আর বাচিয়ে রাখে ওই মেয়েটির জীবন।
।
একটু নিচেই পেট। যেই পেটে ওই কাপুরুষটি ছিলো দীর্ঘ ৯/১০ টি মাস। যে পেটটি খাদ্যের পচন দ্রব্য গুলো যাতে শরীরের ক্ষতি না করতে পারে তা কতো কষ্টে বের করে দিচ্ছে মল হিসেবে। কতো কষ্ট সহ্য করে ওই অপদার্থ ধর্ষকটিকে তার নিজের মধ্যে সযত্নে আগলে রেখেছিলো!
তারপর পেটের নিচে ধর্ষকটির বহু আকাংখিতো জায়গায়। সে কি বুঝবে ওই জায়গার ব্যাপারে? আজকাল তো অধিকাংশ সন্তান জন্ম নেয় পেট কেটে। কষ্ট তো পেটে তাইনা? 😣 ধরলাম কষ্টই নেই। কিন্তু আগের দিনে যখন ওইটুকু ছিদ্র দিয়ে ১২ ইঞ্চি ব্যস বিশিষ্ট মাথাসহ একটি ফুটফুটে সন্তান জন্মে পৃথীবির আলো দেখতে পেতো তখন ওই কষ্টটুকু ওই ছিদ্রেই হতো। ওই ধর্ষক এর বাবা মা যদি জানতো যে তারা একটা কুকুরের বাচ্চা জন্ম দিবে তাহলে হয়তো ওই সময়ের সদ্যবহারি করতো।একটাবার কি ভাবে ওই কাপুরুষটা যে তার নিজের জন্মস্থল ওই জায়গাটকুই??!! কতো কষ্টে একটা ডিম্বাণু তাকে জন্ম দিয়েছিলো?
।
বুঝলোনা ধর্ষকটি! ধর্ষণ শেষে নিথর হয়ে পড়ে রইলো ওই মেয়েটির দেহখানা যে কিনা কখনো ভাবেও নি বিয়ের আগে কেউ তার শরীরে স্পর্শ করবে।বারিধারা “জে” ব্লক এর পাশের কবরস্থান থেকে হয়তো ভেসে আসছে তনুর মতো নাম না জানা হাজারো ধর্ষিতার কানফাটা চিৎকার।
।
ইস্ সৌদিআরব এর মতো যদি এই দেশেও ধর্ষকের শাস্তি জনসম্মুখে ফাঁশি দেওয়া হতো আমার আপনার বোনটিকে ধর্ষিত হতে হতো না।
No comments:
Post a Comment