Sunday, November 26, 2017

বাবা-রাফসান ঈশান

নিজেকে একজন অসহায় বাবা মনে করে এই লেখাটা লেখলাম। কোথাও ভুল হলে ক্ষমা করবেন।



কাঁদিবে কি আর তুমি যবে সারা পাইবেনা মোর গলার স্বরে।
করিবে কি যবে আর শুনিবো না কোন কথা।
চাইবে কি যবে মুছিয়া দিবো না তোমারই আক্ষিজল।
হাসিবে কি যবে শীতল পাটিতে মুড়ি দিয়া চলিয়া যাইবো অজানায়।

সেদিনও কি তুমি কাঁদিবে আমার লাগিয়া ওহে বিসাদের খোকা,
সেদিনও কি ভালোবাসিয়া জড়াইয়া ধরিবে নিজের কল্পনায়,
সেদিনও কি হাতাইবে আমার মানিব্যাগ তোমার জন্য রাখা ৫ টাকার জন্য,
নাকি সেদিন আবার তুমিই বা মরিয়া যাইবে?

আমি থাকিতে তো বুঝোনি আমি বাবা তোমার
তোমারি তো আর শুধু তোমারি আর তুমি আমার ছোট বাবুটা,
আমারে কি বাবা বলিয়া মনেই করো নি কখনও,
নাকি পশ্চাতে কাদিয়া সম্মুখে ধরিতে ভাবখানা।
 যদি ভালোই না বাসিতে তাহইলে কেনো আমারে উপহার দিতে
যদি নাইবা কাছে চাইতে তবে কেনোই বা আসিয়া জড়াইয়া ধরিতে।
যদি চাইতেই আমাকে ভুল বুঝিতে তাহইলে কেনোই বা পরামর্শ চাইতে,
আর যদি ভালোই না বাসিতে কেনোই বা বাবা বলিয়া ডাকিতে বলো?
 আচ্ছা এবারে বলো তো,
যদি ভালই বাসিয়াছো তাহইলে কেনোই বা আমি আজ বৃদ্ধাশ্রমে,
কেনোই বা চারি দেয়ালের মাঝে পড়িয়া কান্না করি অবিরত
কেনোই বা লাথি দিয়েছিলে নিজের বাড়ি থেকে,
আর কেনো তারপরেও ডাকিছো বাবা বলিয়া।
 আর একটুকুই সময় আছে রে মানিক আমার,
একবার ভালোবাসিয়া বাবা বলিয়া খোকন কি তুই ডাকবি?
তা না হইলে মরিয়াও পাইবো নারে সুখ
বাবার ভালোবাসার আদর না পাইয়া যে ভুগবি।

Monday, November 20, 2017

একটি ধর্ষণের চিন্তা

মাঝে মাঝে এমন সব আজগুবি কিন্তু সত্য কথা মনে হয় যা শুনলে হাসি আসবে যেকোন সুস্থ মানুষের কিন্তু ওই মানুষটি যদি একবার ভাবে কথাগুলো নিয়ে তাহলে বুজবে যে কথাগুলো কতটা   গুরুতর। আজ লিখছি এমনই একটা কথা নিয়ে। কিছু খারাপ শব্দ যা ব্যবহার না করলেই নয় এবং বানান ভুল হলে তার জন্য দু:খিত।
..
#আজ মনে হচ্ছে সেইসব নরপিশাচ দের কথা যারা ধর্ষণ করে।।
.
শনিবারে জীববিজ্ঞান পরীক্ষা। দুধ খেয়ে এসে একটান হলাম বিছানার ওপর।রাত ১১:৪০ বাজে। বইয়ের পাতা একটানে উল্টাতেই বের হয়ে এলো ১০০ পৃষ্ঠা। ওই অংশটির নাম “মানুষের হৃদপিন্ডের গঠন”।আরেকটু পরেই বের হয়ে এলো কার্ডিয়াক চক্র এবং মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি। চিত্র আকারে সবই দেয়া। হঠাৎ চোখ বুজলাম। সামনে দেখতে পেলাম একটি নগ্ন সুন্দরী বালিকা।তারপর চোখ বুঝলাম। আবার চিত্র দেখলাম। আবারো চোখ বুজলাম। মনে পরলো আজকে রাতের কথা; আজ তো নববর্ষ এর প্রথম রাত। তখন দেখালাম 3D এর মতো ওই মেয়ের স্তনের ভিতরের ত্রিমাত্রিক জগৎ বা তার দেহের ভিতরে দেখতে পাচ্ছি।

সামনেই তার একজন লম্পট লোক দাঁড়িয়ে আছে। তার চোখ ভরা ধর্ষণের কামনা।কিন্তু সে যদি জানতো তার মর্দনকরা স্তন দুটির ভেতরে রয়েছে হাজারো কোটি স্নায়ু! এখানে রয়েছে রক্ত, রক্তকণিকা, আর রয়েছে হাজারো নিউক্লিয়াস। বুকের ভেতরে রয়েছে ৩৩ টি অস্থি দ্বারা গঠিত একটি মেরুদণ্ড! তার ভেতরে রয়েছে ৩০০ গ্রাম ওজনের একটি হৃদপিন্ড যা একটি সুস্থ মানুষের জীবদ্দশায় ২৬০০ মিলিয়ন বার স্পন্দিত হয়ে ভেন্ট্রিকল থেকে ১৫৫ মিলিয়ন লিটার রক্ত বের করে দেয়!
ধর্ষণের সময় যখন ওই স্তন দুটোয় চাপ পরে তখন হৃদপিন্ডটি যেনো চিৎকার করে বলে ছেড়ে দাও ওই দুটোকে। আমার যে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে! তারপরেও ছাড়ে না ওই কাপুরুষটি। তখন ওই অবিরাম কষ্টের মাঝেই নিজের কাজ চালিয়ে যায় ও আর বাচিয়ে রাখে ওই মেয়েটির জীবন।

একটু নিচেই পেট। যেই পেটে ওই কাপুরুষটি ছিলো দীর্ঘ ৯/১০ টি মাস। যে পেটটি খাদ্যের পচন দ্রব্য গুলো যাতে শরীরের ক্ষতি না করতে পারে তা কতো কষ্টে বের করে দিচ্ছে মল হিসেবে। কতো কষ্ট সহ্য করে ওই অপদার্থ ধর্ষকটিকে তার নিজের মধ্যে সযত্নে আগলে রেখেছিলো!
তারপর পেটের নিচে ধর্ষকটির বহু আকাংখিতো জায়গায়। সে কি বুঝবে ওই জায়গার ব্যাপারে? আজকাল তো অধিকাংশ সন্তান জন্ম নেয় পেট কেটে। কষ্ট তো পেটে তাইনা? 😣 ধরলাম কষ্টই নেই। কিন্তু আগের দিনে  যখন ওইটুকু ছিদ্র দিয়ে ১২ ইঞ্চি ব্যস বিশিষ্ট মাথাসহ একটি ফুটফুটে সন্তান জন্মে পৃথীবির আলো দেখতে পেতো তখন ওই কষ্টটুকু ওই ছিদ্রেই হতো। ওই ধর্ষক এর বাবা মা যদি জানতো যে তারা একটা কুকুরের বাচ্চা জন্ম দিবে তাহলে হয়তো ওই সময়ের সদ্যবহারি করতো।একটাবার কি ভাবে ওই কাপুরুষটা যে তার নিজের জন্মস্থল ওই জায়গাটকুই??!! কতো কষ্টে একটা ডিম্বাণু তাকে জন্ম দিয়েছিলো?

বুঝলোনা ধর্ষকটি!  ধর্ষণ শেষে নিথর হয়ে পড়ে রইলো ওই মেয়েটির দেহখানা যে কিনা কখনো ভাবেও নি বিয়ের আগে কেউ তার শরীরে স্পর্শ করবে।বারিধারা “জে” ব্লক এর পাশের কবরস্থান থেকে হয়তো ভেসে আসছে তনুর মতো নাম না জানা হাজারো ধর্ষিতার কানফাটা চিৎকার।

ইস্ সৌদিআরব এর মতো যদি এই দেশেও ধর্ষকের শাস্তি জনসম্মুখে ফাঁশি দেওয়া হতো আমার আপনার বোনটিকে ধর্ষিত হতে হতো না।

Saturday, November 18, 2017

চরিত্রহীনা বালিকা- ইসমাইল রাসেল ভাইয়ের লেখা


অদক্ষ আঁচে কড়াইয়ের তলানিতে পোড়াশব্দে ঝোলের কড়াপাক। অগোছালো নিরস অবস্থায় চারপাশ। ইহা রাঁধুনি অভাবহেতু পরিবেশে একটি রান্নাঘর ।
গল্পলেখায় দৃশ্যপট বুঝাইতে কঠিনদশার প্রভাব না থাকলে লেখক, খুব কাছ থেকে এক কপাট খোলা জানালার গ্রিল আঁকড়ে ধরে দাঁড়িয়ে থাকা আকাশমুখী বালিকা,চাপা ঠোটে,অপারগ চোখে চাহুনি বিলাপে, ঠিক এমনই শুরুদায়িত্ব নিতেন। সদ্য রন্ধনগৃহ বুঝে নেয়া বালিকাটির এরূপ দৃশ্য বেশ আশ্চর্যের।
চঞ্চলমতি যে মেয়েটি ফোনের বার্তাবহ টুকো সংকেতেই আহত নিহত হয়েছে মত ব্যাকুলিত হত,শব্দিত হবার প্রতি মুহূর্তেই ফোন ধরার বাজিতে খুন হত। নজর পেতে কড়াশব্দে পোড়াতে ব্যাস্ত,অগ্নিদাহ চুলো। ব্যর্থ শব্দ, শ্রবন প্রতিক্রিয়া বালিকা মস্তিস্কে তবুও শান্ত।
সুক্ষ্ম মৃদু বাতাসেও কোটি আপন রসে লোমহর্ষিত হইত সে, হিমেল হাওয়ানন্দে হাসিতে হাসিতে কুচিকুচি হত কারন অযথা এই সুখপূর্ণ স্পর্শীতা । এখন বাতাসের তীব্রতর বেগ ও অনুগত স্পর্শহীনতার কাছে, বাতাসে এখন আর ছন্দ নাই, হীমেল হাওয়া ক্ষমতাচ্যুত মনছোয়ায়,অসীম আনন্দ যোগীও আজ ব্যর্থ মন কে হেলাইতে।
আপন ঠোঁটের কর্ন বাকা হাসি হাসি ভঙ্গিমায় বসে, ভালোবাসায় সিক্ত অসম্ভব পাগল মন কলমে চেপে লেখে দিতো ডায়েরীতে যতনে যত কথা, চাঁদকে শুনাবে বলে। চন্দ্রমুখীর উচ্চাকাঙ্ক্ষীয় ডায়েরী বিলাপ চাঁদবদন আর শোনেনা। ঘোরতর চন্দ্র নেশাগ্রস্থ মেয়েটি এখন চন্দ্রালোতেই হয় আহত।
গুনগুন গান আর গানের তালেনামা অঙ্গদুলানো ছন্দ বালিকা দেহে ভর করে থাকতো সারাটাদিন। শান্তিদূত গান, কষ্টভাগে গান, মহাসিন্ধুটা ও যেনো পদতলে নুইয়ে দিতো গান। সেই একি গানের কলিগুলো হৃদয় নিংড়ে ভালোবাসাকে অলৌকিক ভালোলাগতে আর দেয়না। শিউরে ওঠা অদ্ভুত রোমাঞ্চিত মুহূর্ত গুলোই এখন দৈত্যাকার হৃদয়খেকো।
আকাশের নীলাভ সৌন্দর্য কি এখন নীলিমার ভোগে নিশ্চিহ্ন? আকাশপটে মনভাসিয়ে ভালোবাসার উত্তরে এখন বুকেপিঠে মেঘজমাট ব্যথা অনুভূত হয় কেনো? বৃষ্টিজল কি নতুন করে ফুটন্ত অগ্নিলাভারর ধর্মে পরবর্তিত? বৃষ্টিপাতের একবিন্দু জলের কনাতেও এখন হৃদয় ছিদ্রে জ্বলন হবে কেনো? ফুলগুচ্ছ বর্নবিয়োগে ফ্যাকাসে, প্রজাপতিরা মন মরা, গাছিরাজ্য নিরাশ কেন?
কারন বালিকা চরিত্র হারিয়েছে।
বালিকাতে হারানো রাজ্যের মহারানী জয়ী হয়েছে। তার সব সুখ, রানীতে সপে দিয়েছে। অবশিষ্ট খণ্ডিত হৃদয় খানাই বর্ণান্ধতার বেরসিক কারন।
এমন চরিত্রহীনা তে কে করিবে ভরসা, অন্যতে সবটা সপে দেয়ার ক্ষত সারাতে মৃত্যুই বালিকার একান্ত আশা। ভালোবাসার অভিনয়মঞ্চ ভীষণভাবে রঞ্জিত ছিলো, বুঝতেই পারেনি সরল নজর, রঞ্জিতকরণ উপায়ে হরন হয়েছে সে। দেহ মন দুটোই একিঘরে লুটপাট হয়েছে, চরিত্রহীন দেয়ালের ওপাশে সফল অভিনয়বিদ্যা। প্রমান পত্রের উপাদান, মিথ্যে ভালোবাসা, বিশ্বাস আর হৃদয় দানে খাটি মন, বালিকা সমীকরণ এ চরিত্রহীনা প্রমানিত।
চরিত্রহীনা বালিকা, সে তো রাত জাগে। অন্ধ ভালোবেসে উপহার হিসেবে অন্ধকার অর্জন করেছে। রাতের অন্ধকারাবৃতা তার মিতা এতেই যে তার ভালোলাগে। সম্ভব না কারো এই অন্ধত্ব বোঝা। মন দেয়াতে নাকচ অভিযোগে সবার ভাবনা ভালোবাসায় অনিচ্ছুক বালিকা , দেহলী ভোগেচ্ছা পোষনে বলে, সে তো চরিত্রহীনা বালিকা। হায়রে ভালোবাসা! বেসেছিলাম ভালো হলাম সর্বহারা, এখন আমি ভোগের পাত্র যদি না হই কারো।
বালিকার চরিত্রনাশকারী অভিনেতা এখন উত্তম চরিত্রে ভালোবাসা বাসি খেলায় মগ্ন। বালিকার প্রেমে পড়ে, নতুন করে শত প্রেমিকের আগমন। মন তো নাই দেবে কাকে, সব ই সেই পুরনো অভিনয় লাগে দিয়েছিল মন যাকে ।
সত্যমনে ভালোবেসে মিথ্যে ভালোবাসার ফাঁদে পড়ে ভালোবাসার নামে ভালোবাসার ই দায়ে দেহ মন কে ভালোবাসার পাত্রে বিসর্জন দিয়ে ভালোবাসার হাতেই খোদিত হয়েছে ভালোবাসাহীন চরিত্রহিনা বালিকা নামে!

Friday, November 17, 2017

আবেগে লেইখা ফালাইছি

আমি তোমারো লাগিয়া ভেবেছিনু কিনিবো মোর আত্মার ক্রোধ। ভেবেছিনু ইহা নাহি যাইতে দেয় তোমারো নিকটে আর সেই বোধে ইহাকে কিনে ছুড়িয়া ফেলিবো আগুনেরও গভীরে। তারিপরে সখী তোমারে লইয়া হারাইয়া যাইবো সকল ব্যাস্ততারি জীবন ফেলিয়া। এতো প্রেম পাইবো কোথাতে বলো, কোথাতে খুজিবো তোমারো বাহু, কোথাতে রাখিবো মাথাখানি যদি নাহি বা থাকে তোমারো উপ্তপ্ত হৃদয়খানি? পাইবে না গো পাইবে না। পাইবে না এই সাধুলিপির উত্তর গুলো। আর কি হারাইবে না মোর লগে? যাইবে কি না মোর সহিত কাশফুলে শরীর মাখাইতে? নাকি আজি হইয়াছি পুরাতন বস্তু যাহা ভাবিয়া ফেলিয়া দিয়াছো আমারে?

আইসো মোর বাসায়। পাটিতে বসিয়া আবারো তোমারে লইয়া রবী ঠাকুর এর গান শুনিতে শুনিতে বাদাম চিবাইবো। আবারও অশ্রু ঢালিবো তোমার স্তন্যললাটে, আবারো শান্তিতে মরিয়া যাইবো তোমার ভালোবাসার লাগি।

Thursday, November 16, 2017

আমার একটি না ভোলা ট্রেন জার্নি :3

 ঢাকা যাচ্ছি আর ট্রেনে পাশেই বসছে এক আজাইরা পাব্লিক।😠 মুখ দিয়া খালি আজাইরা কথা বাইরইর হয়। তারপর এক হিজরার দল উঠলো।😃

লোক:এদের নিয়ে যে কি করি,সারাদিন বিরক্ত করে মানুষদের।
আমি:আপনি ওদের মতো হলে আপনি ও ওদের মতো করতেন।😒
-না আসলেই দেখেন সরকার থেকে তো ওদের টাকা দেয় তারপরেও ট্রেনে এইরকম করে।😁
-সরকার একজন সৎ পুলিশ এবং একজন অসৎ পুলিশকেও মাসে ১৫-২০ হাজার করে বেতন দেয়। যারা গ্রামে বাস করে তারা মোটামুটি বেচে থাকে। যারা শহরে বাস করে তাদের ২ নম্বরি করাই লাগে। বেচে থাকার জন্য।😂
-না আপনি ভাবেন একবার।কত টাকা ওঠে ওদের ১ মাসে এক এক জনের।
-আব্বুর পকেট মারলে আমার মাসে ওদের পুরো গ্রুপের থেকেও বেশি টাকা উঠতো।😂
-তা ওদের কতো টাকা ওঠে?
-আপনি ই জিজ্ঞাসা করে দেখুন।😠

অত:পর লোকটি আর কথা বলেনি। 

২/৩ মিনিট পরে হিজরা লোকটি এসে বললো:
-ঈশান ভাই ভালো আছেন? 
-হ্যা আপনি ভালো তো? আপনার মা কেমন আছেন? 
-ভাই আপনে সেদিন রক্ত না দিলে আমার মা মারাই যেতেন। 
-মরা বাচা আল্লাহর হাতে। এই নেন ৫০ টাকাই রাখেন। 
-আপনাকে আল্লাহ অনেকদিন বাচিয়ে রাখুক। 
-ইনশা আল্লাহ।
-ভালো থাকবেন।
-জি। আপ্নিও।আর আপনার মাকেও ভালো রাখবেন।
-আচ্ছা। 😃

অত:পর ঐ আজাইরা লোকটির সাথে কথা বলার সময় যারা আমার দিকে কুদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো তাদের চোখে আমার জন্য মায়া এবং পাশের লোকটির জন্য সমবেদনা দেখলাম। 😒🐸😂

(বি.দ্র: হিজরা লোকটির মা ২ বছর আগে আ্যক্সিডেন্টের পরে রাতে ৭০০ মিলি রক্ত একাই দিয়েছিলাম। 😎 তার ফলে আজকে কিছুটা সম্মান পেলাম।)
-
(বি.দ্র.২: সবাইকে সম্মান করলে আপনিও সম্মান পাবেন।আমার আজকের বাস্তব অভিজ্ঞতা।  আর কিছু মানুষকে বাশ দেয়া ফরজ কাজ   )

Tuesday, November 14, 2017

ধরবো ধরবো করেও তোমায় ধরতে পারি না।

ধরবো ধরবো করেও তোমায় ধরতে পারি না।

স্মৃতির স্মারকে লেখা আমার ভালোবাসা খুটিয়ে দেখার প্রয়োজনটাও বোধ করলে না। বোধ করলে আমার লুকিয়ে দেখা তোমার মায়াখানি। বোধ করলে না ফুস এর জি২জির আড়ালে থেকে তোমায় লুকিয়ে দেখা। বোধ করলেও না অপরের ছোয়ায় তুমি যখন পরতে পরতে বেচে গেলে একরাশ ব্যাথা বুকে নিয়ে ঠোটের কোনে মিথ্যে হাসিতে হাসিয়েছিলাম সবাইকে। বোধ করলে না তুমি আমার ভেতরের বাতাস যখন আমাকেই সরি বলে মুখ ফিরালে অন্যদিকে।

তোমার জন্য জমা করে কিছু রাখিনি। আমার ভালোবাসা অনেক বেশি হে প্রিয়সী। উহা বোঝোনি কি শুধু আজ বয়সের ব্যবধানের জন্য নাকি আবার ভাবছো ফাঁদ হয়ে এসেছি তোমার আলিঙ্গনে? আবারো  কি বিশ্বাস করবে আরেকটা রুক্ষ ব্যথা নিয়ে বেচে থাকা মানুষকে যে কেঁদে যায় হাসির মাঝে, বৃষ্টির মাঝে? কি ভাবছো? হ্যাঁ তুমি যা ভাবছো সেটাই কারণ আমিও তাই ভাবি।

কথাগুলো বের হয়ে আসে ভেতর থেকেই বুকে মাথা রেখে দেখো আজীবন শুনিয়ে যাবো ভালোবাসার শ্রুতি। শুধু দাও না একবার চিৎকার করে কান্না করতে তোমাকে নিয়ে বাহুডোরে জড়িয়ে বলবো “হে প্রিয় আরাধি, ভালোবাসি তোমাকে”। তোমার একটু ছলনার জন্য ভেবে কি নিবো ভেবেছো তোমার থাকবে আমার উপরে রাগে জমা কতো অভিমান? তা নহে রে মানসিকিনি।


সব ভুলে মাথা রাখলেই যে ভুলে যাবো তোমার সাথে এইতো কিছু সময় বিলম্বেই ঝগড়ায় মত্ত ছিলাম। আমার কোঠরে ঝুলে আছে ভালোবাসাটুকু। নিজের করে রেখো। আমি তো ধরবো ধরবো করেও ধরতে পারছি না তোমাকে। তুমিই না হয় ছিনিয়ে নিও আমায়।

Sunday, November 5, 2017

নিকৃষ্ট ৩ -আর রাফিউ খান ঈশান

অগোচর থেকে একটু বেশি
তোমাকে কাছে চেয়েছিলাম শুধু
আজ এতোকালে বুঝেছি আমি
ভুল ছিলো ঐটুকু।

কি আর করেছিলাম তোমার লয়ে
কি ভেবেছিলাম নিজের আনমনে
জানতেও চাওনি কখনও আর
আর জানবেও না কোনকালে।
আজ এই ব্যার্থতার গ্লানি শুকিয়ে ক্ষত
পুড়িয়ে দিয়েছি সবটুকু

দেখেছিলে আমার অগাধ মুল্য
কাছে এসে রাত্রি যাপনে কিছুটা নরম বুকে
মাথা রেখে কেঁদে শুধু
জীবনে নিয়েছিলাম একে।
তুমি বোঝোনি আজও
মুছে দাও নি অশ্রুটুকু

ওরে আমার ভুলের জন্য নিজের ওপরে আক্ষেপ তোমার নেই
তুমি সেই নিকৃষ্ট ছিলে আজো নিকৃষ্টই রয়ে গেলে ।