Thursday, January 24, 2019

জ্যোৎস্নায় পোড়া মাটি ~ আর রাফিউ খান ঈশান



সে ছিলো কোন আবরণে মাখা ধুসর বর্ণের মানবী।
ধুসর? হ্যা ধুসর। কালো নয় সে, বরং মায়াভরা দানবী।
চর্মের রঙ ধুসর তার। আর তার মাঝেই ভালোবাসা লুকিয়ে
অধির অপেক্ষায় আমার কারণে। আমি তো যাচ্ছি শুকিয়ে,
সেই ভালোবাসার তরে তাহার কালো মুখের মলিন লাজুক হাসি।
আমি সাদাবর্ণের। তাই বলে কি বুঝোনা ভালোবাসি?
উৎসবে মেতে থাকা সাদাকালো জীবন আজ ধুসর আমার।
ধুসরই ভালো।আমার আবার এতো চাইনা। আর তোমার?
তোমার তো শুধু দরকার একটু মাথা গোঁজার ঠাই।
পাও নি এখনও খুঁজে সেই স্থান? আরে ভাই,
আমার সমতল ছাতিখানা আছে ন বই কি?
বলতে কি দ্বিধা “একটু বুকে মাথা রাখি?”
না হয় না বললা। কার কি আসে যায়? আমি তো ক্ষুদ্র।
আমি বাবা কিন্তু ভালোবাসার তরে খুব ভদ্র।
তবে পেরিয়ে গেছে তোমার পোড়া ধুসর মুখের দিকে তাকিয়ে,
পেরিয়ে গেছে আজ আটের দশ এ আশিখানা বছর। ঝাকিয়ে
কি দেখেছিলে আমার কলিজাখানা? এখনও কিন্ত জমে আছে
ভালোবাসা তোমার তরে। আমি এখনও ঘুরে বেড়াই তোমার পাছে।
তোমার বুড়ো বয়সের দেহখানা খাটিয়ায় তুলতে কিন্তু বেশ কষ্ট
পেয়েও আঁখিজল ফেলিনি। ভালোবাসা জমে আছে স্পষ্ট।
তবে কি জানো রাতের আধারে এখন জীবন কাটে ভালোবাসায় খাটি।
আর ওদিকে তুমি ঘুমিয়ে আছো। সাথে চাঁদের জ্যোৎস্নায় পোড়া মাটি।

Monday, November 12, 2018

বেলাশেষে ~ আর রাফিউ খান ঈশান

বেলা ডুবে গেছে ফিরে আসবে ভেবে প্রহর গুণে চলি
বুঝিনি করে গেছো তুমি না ফেরার অঞ্জলী।

অবশেষে অনেকটা পথ চেয়ে থেকে নিদ্রা কাতর
আমি মেঘেঢাকা আকাশে তোমার মাখিয়ে যাই আতর।
যে মহান সময় প্রেমে ঘনিয়ে ফুরিয়ে গেছে
পরিচিত ডাকে বুকে মাথা লুটায় পোড়া বুকের কেশে।
কালো ঠোটে তবু একাকীত্বে ফুটে ওঠে মনবুলি...


অবহেলায় থাকা পালঙ্কের পাশে সিগারেট ছাই ভাসে
গন্ধে প্রকৃতি রটায় রোজ হারিয়ে ফেলার অভ্যাসে।
পড়ে থাকা নিভানো সলতে জলতে গিয়ে কান্না করে
তাপগুলো সব উড়ে গেছে একটু আগুন পরে।
তোমার অস্তিত্ব গায়ে মেখে এখনও রোজ চলি...

Wednesday, November 7, 2018

অবসর এর গান~আর রাফিউ খান ঈশান

তোমাকে কিছুটা পাশে পাওয়ার বাসনায়
চালিয়ে নেই এই ফটোগ্রাফিক জীবন।
রাস্তার মোড়ে অদ্ভুত ব্যাস্ততার মাঝে
থেকে যায় তোমার অনুভুতির আলোড়ন।
কাগজের টুকরো ডাস্টবিনে মোড়া স্মৃতি,
অন্য পথের বাকে আকা ভালোবাসার নীতি,
আর সবটার মাঝে তুমিই ছিলে তুমি আছো
তুমিই আমার আকুল আবেদন আমার অনুভুতি।

তুমি তোমার মতো নিজের জন্য অনেক সময় নিও
আর তার মাঝে একটুখানি সময় আমায় দিও।


মনের বেলকুনিতে শীতল পাটি দিবো বিছায়া
যদি তুমি চাও আরো কিছু বা কিছুটা প্রশান্তির ছায়া
অথবা একটু সুখের মায়া অথবা আমি লাজুক বেহায়া
স্বর্গ, মর্ত্য করতালে দিবো আপন বাসনা লুটিয়া।

ভালোনা লাগলে তোমার জন্য অনেক সময় নিও
আর তার মাঝে একটুখানি সময় আমায় দিও।


Saturday, September 29, 2018

~~~~~~~ধর্ষিতাদের স্বপ্নগুচ্ছ ~~~~~~~~আর রাফিউ খান ঈশান


লালসার গভীরে মৃতদেহের মতো লুকিয়ে থাকে নিজ প্রতিচ্ছবি
আকাঙ্খার আস্থায় সদ্য জীবনে রচয়িতা করে নিজের আত্মা কবি।
অন্য পথে অমানুষের পাওয়া কৃতার্থ পড়ে রয় মানুষের বিপরীতে,
মৃত্যু কি রসিকের রসালো কাব্য কেড়ে কি পারে নিতে।
মহাকালের ত্রিসীমানার বেড়াজালে কাব্যগুলো ভাজে ভাজে আকা থাকে,
রঙ গুলো সুর হয়ে বিস্বাদে বাচে আদরমালায় সেই সীমানার শেষ বাকে।
ভুধরে আত্মভোলা নরমানব মানবীর কর্দমাক্ত রক্ত চিন্ন একে পড়ে যায় শুকিয়ে
সেই শোকে এক সেই ধর্ষিতার বুক হঠাতই কেদে ওঠে যেনো ফুপিয়ে।

এই সেই আগের আলাভোলা প্রকৃতিপ্রেমিক যার চোখে দেখো আগুন
আবার যাবো সবাই সুন্দরের মাঝে আর বানাবো সুখের ফাগুন।

প্রিয় প্রাক্তন

প্রিয় প্রাক্তন,

যখন তুমি রক্তিম আকাশে ধুলিকণায় আমার ভালোবাসা খুজতে,
তখন উল্লাসে পথে দাঁড়িয়ে তোমার চাহনী দেখে উন্মাদ বনে যেতাম।
হয়তো দুহাত প্রসারিত করে বাহুডোরে নিতে চাইতাম একবার, কিংবা মাঘের শীতলতায় কাবু হয়ে আধা ক্রোশ পাড়ি দিতাম ফ্লেক্সিলোড এর দোকানে।
সে অনেক পুরনো কথা। নতুন করে মনে করছিলাম লজ্জায় হাত ধরে হাটা রাস্তায়, কিংবা রাস্তার মাঝখানে জড়িয়ে ধরে পাগলামী তোমার বড়ই ভালোলাগা। চোখে কাজল নিতে বলেছিলাম। পরদিন আর চোখ ফেরাতে পারিনি তোমার থেকে, তোমার জন্য হাত খরচের জমানো ২৪৫০ টাকার নীল পাঞ্জাবীতে তোমার চুলের ছোয়া এখনও লেগে আছে।
বেলাশেষে যখন কারো বুকে মাথা রাখার জায়গা পাবেনা তখন আমাকে স্মরণ করো আঁধারের বেড়াজালে। আমি আসবো। রোজ আসবো তোমার স্বপ্নে। রোজ ভাসাবো তোমায় ভালোবাসার জলে।

ইতি
তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী।

Friday, August 3, 2018

একটি হ্যাকিং নাটক-ছায়া ~~~~ আর রাফিউ খান ঈশান

ছায়া

ঈশান। সাধারণ একটা ছেলে।

একটি ছেলে মায়ের বকা খাচ্ছে। সারারাত ধরে ইন্টারনেটে থেকে সকাল ৭ টায় ঘুমুতে যাওয়ার জন্য।

দুপুর ১ টার সময়ে উঠে পরিষ্কার হয়ে নামাজ পড়লো। তারপরে রুমে বসে আছে। ফেসবুক চালাচ্ছে। হঠাত একটি মেয়ের ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এলো।
তাদের কথা বলা শুরু হলো। মেয়েটা পরে কোন এক কলেজে। ছেলেটা ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি তে পরে। যদিও মেয়েটার কোন ছবি ছেলেটা দেখতে পায় না কারণ ছবি দেওয়াই নেই এফবিতে। কিছুদিন কথা বলার পরে ছবি চায় ছেলেটা আর মেয়েটা বলে ভিডিও কলে আসতে কারণ ছবির উপরে বিশ্বাস নেই মেয়েটার কখন কি করে বসেভিডিও কলে প্রথমবার দেখেই ছেলেটা মেয়েটার প্রেমে পরে যায় আর মেয়েটার মনেও কিছু একটা ঘুরপাক খেতে থাকে।

আস্তে আস্তে তাদের কথা বলা বাড়তে থাকে। কিন্তু কাউকে বলা হয়না যে তারা একে অন্যকে ভালোবেসেই ফেলেছে।

এদিকে মেয়েটার পিছনে লাগে একজন হ্যাকার। তার কাছে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে কিছু একটা কতাহ বলে। মেয়েটার লোকেশন ট্র্যাক করে তার বাসার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতো মুখোশ পড়ে। একদিন দুইদিন তিনদিন করে যাওয়ার পরে একদিন সেই মেয়েটার দেখা পায়। কথা বলতে চায়। কিন্তু কথা বলতে পারে না। মেয়েটা কথা বলেনা।
এভাবে কয়েকদিন ট্রাই করে। একদিন কথা হয়।

মেয়েটা ছেলেটার মুখোশ নিয়ে অনেক মজা করে। ছেলেটা পরিচয় দেয় সে একজন প্রফেশনাল হ্যাকার এবং সে সবাইকে মুখ দেখায় না। তাই মেয়েটাও দেখতে পায় না। সে তার আইডীর কথা বলার পরে মেয়েটা চিনতে পারে সে আসলে কে। তারপরে কিছুক্ষণ কথা বলে চলে যায়।

অপর দিকে একদিন ঈশান তাকে বলে দেখা করতে। মেয়েটা রাজি হয় না কারণ সে বাবা মার একমাত্র মেয়ে আর বাবা মা এগুলা পছন্দ করে না বলে সে এগুলাতে যায় না।
তারপরের দিন খুব জোর রিকুয়েস্ট করার পরে মেয়েটা রাজি হয় দকেহা করতে।
দেখা হয় কথা হয়। শেষে কিছু একটা বলতে গিয়েও বলা হয়না মেয়েটার আর ছেলেটারও কিন্তু দুজনে তখন বুঝতে পারে যে তাদের মধ্যে দুজনের জন্যই ভালোবাসা কাজ করছে।

আরেকদিকে হ্যাকার ছেলেটা মেয়েটার আইপির সাহায্য নিয়ে তার মোবাইল হ্যাক করতে সক্ষম হয়। তার ছবি ভিডিও এবং সেই ছেলেটার সাথে চ্যাটিং সবকিছুই সে দেখে। তার সাথে মেয়েটার কিছু পার্সোনাল ছবি (ছোট গেঞ্জি পরা, ফ্রেন্ড সার্কেল এর ছবি, তার বাবার ও মায়ের ছবি, কিছু পার্সোনাল সেলফি) ইত্যাদি। তার সাথে ক্যামেরা হ্যাক করে মেয়েটার ড্রেস চেঞ্জ করার ভিডিও করে হ্যাকার। ছেলেটার প্ল্যান থাকে যে এগুলা দিয়ে তাকে থ্রেট করবে। সে জানতে পারে মেয়েটার ঈশান এর সাথে রিলেশন চলে এবং পাশাপাশি আরেকটা ছেলের সাথেও রিলেশন চলে।

২ দিন বাদে ঈশান মেয়েটার সাথে আবার দেখা করে। কারণ ঐদিন তার বার্থডে ছিলো। সেদিন অনেক সুন্দর করে তার বার্থডে পালন করে। ইভেন মেয়েটার জীবনে সব থেকে সুন্দর সারপ্রাইজ ছিলো সেটা। আসার আগে মেয়েটা একটা চিরকুট ধরিয়ে দিয়ে আসে। সেখানে লেখা থাকে ভালোবাসি।
তারপরে তাদের রিলেশন চলতে থাকে।

এদিকে হ্যাকার একদিন তাকে তার কিছু পার্সোনাল ছবি পাঠায় ও ভিডিও টা পাঠায় এবং বলে যে তাকে ১০০০০ টাকা না দিলে এগুলা ভাইরাল করে দিবে।

মেয়েটা কি করবে বুঝতে পারেনা। সে ঈশান কে কথাটা বলে আর ঈশান বলে ছেলেটার ফেসবুক আইডি দিতে। তারপরে ঈশান কোন এক কায়দায় ছেলেটার এই কাহিনী মেয়েটার সাথে শেষ করে। কিন্তু মেয়েটা হাজার বার বলার পরেও ঈশান বলে না যে ছেলেটাকে কিভাবে কি ম্যানেজ করলো।ঈশান জানতো না যে মেয়েটা আরেকটা রিলেশন এ আছে।

কিছুদিন পরে আবার সেই হ্যাকার মেয়েটার বাবার খবর নিয়ে জানতে পারে কিছু ক্রাইম এর সাথে লোকটি জড়িত। এই নিয়ে হ্যাকার একটা ডকুমেন্ট তৈরি করে। যেটা মেয়েটাকে পাঠানো হয়। তারপরে মেয়েটা ভয়ে থাকে আর পরেরদিন পুলিশ এসে মেয়েটার বাবা কে ধরে নিয়ে যায়। একটি মার্ডার কেস এর জন্য। যদি কেস টি ভুয়া। শুধু এখানে তার বাবাকে আসামী বলে দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে মেয়ের ফ্যামিলি বিপদে পড়ে। কিন্তু এরই মাঝে কোন আরেকজন হ্যাকার পুলিশের ডাটাবেজ থেকে তার বাবার নাম সরিয়ে আসল লোকের নাম দিয়ে দিলো যে লোকটাকে পুলিশ খুঁজছে প্রায় ২ বছর ধরে। বাংলাদেশের একজন বড় সন্ত্রাসী। পুলিশ সেই হ্যাকার কে গোয়েন্দা বিভাগে চাকরীর জন্য ডাকলো যার বেতন ৬০ হাজার টাকা প্রতি মাসে আর এতা আরো বাড়বে পরে এবং তাকে ১ লক্ষ টা প্রাইজবন্ড ঘোষনা করলো। চাকরীও পেয়ে গেলো সেই হ্যাকারটি।

এদিকে মেয়েটার বাবা প্রায় ১০ দিন জেলে থাকার পরে বের হলো। মেয়েটার কলেজের খরচ প্রায় ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে। কিন্তু কেস মিমাংসা করতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে। যার জন্য মেয়েটার টাকা দেওয়া পসিবল হয়ে উঠে না। ঈশান এটা জানতে পারে। তারপরে ঈশান তাকে ৩০ হাজার টাকা দেয়। কিন্তু এবারও মেয়েটা জানে না এতো টাকা ঈশান কিভাবে পেলো। আর ওদিক দিয়ে আরেকটা ছেলের সাথে যে রিলেশন ছিলো ২ মাসের তা বন্ধ বা ব্রেকাপ হয়ে যায়। যেটা মেয়েটার ভুল ছিলো আর মেয়েটা বুঝতে পারে।

ঈশান এর কাছে মেয়েটা সব বলে ওই ছেলেটা মানে আরেকটা বয়ফ্রেন্ড এর ব্যাপারে এবং ক্ষমা চায়। ঈশান তাকে ক্ষমা করে। ওদের রিলেশন চলতে থাকে।

এক সময় সেই আগের হ্যাকারটির আর দেখা মেলে না। আইডিও ডিএ্যাক্টিভেট হয়ে গেছে। তারপর আর সেই হ্যাকার এর হদিস পায় নি কেউ।

এদিকে মেয়ের বাসায় জানাজানি হয় ঈশান আর মেয়েটার ব্যাপারে। তারা মোটেও রাজি হয়নি কারণ ছেলেটার ভার্সিটি শেষ করে জব করতে এখনও প্রায় ২ বছর সময় লাগবে।

কিন্তু একদিন ছেলেটা মেয়ের বাসায় আসে তার বাবা মা কে নিয়ে। তারপরে নিচের টুইস্ট অনুযায়ী সব বলার পরে মেয়ের বাবা মেনে নিলো।

টুইস্টঃ
এগুলো শেষে আলাদা করে দেখানো হবেঃ
১) প্রথম যে হ্যাকারটি ছিলো সে ছিলো ঈশান নিজেই। সে জানতো আরেকটা রিলেশনে মেয়েটা আছে। তার তাকে ডিপ্রেশনে রেখে তাদের রিলেশন টা ব্রেকাপ করানোর জন্য এই পন্থা অবলম্বন করে।

২) ২য় হ্যাকারটিও ছিলো ঈশান। মেয়েটার বাবার সত্যি একটা ক্রাইম ছিলো পুর্বে যা পরে সমাধান করা হয়নি বা কেস মিমাংসা করা হয়নি। চাকুরীর প্রথম দিকে তিনি ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন ব্যাংক থেকে এবং তিনিও এক সময় হ্যাকার ছিলেন। হ্যাকিং এর মাধ্যমেই তিনি এই কাজ করেন কিন্তু সেটা কেউ ধরতে পারেনি। এই টাকা জরিমানা দিতে হয় তার বাবাকে এবং কেস মিমাংসা করা হয়।

৩) ঈশান যে অফিসে চাকুরী পায় সেটা ছিলো মেয়েটার বাবারই অফিস। মেয়েটার বাবা ইচ্ছা করেই এই কাজ করেছিলেন এবং তিনি আগে জানতে পেরেছিলেন যে ঈশান আর তার মেয়ের রিলেশন আছে। কিন্তু ঈশান যতদিন না এগুলা তার কাছে এসে বলবে তিনি ঈশানকে মেনে নিবেন না বলে ঠিক করেন।