Wednesday, May 30, 2018

ইতি প্রিয়তমা ~আর রাফিউ খান ঈশান

আমার ইচ্ছেগুলো ধুয়ে দিলে নতুন ইচ্ছে সাজে
সকল ইচ্ছে রেখে দিবো তোমার খোপার ভাঁজে।
কথার খাম পাঠাবো ডাক পাখির পায়ে গেঁথে
ধুলিমেঘের মধ্যেও যাবো তোমার জন্য হেটে।
আমার মনের বাটখাড়া তে তোমার স্পর্শ ছোয়া
আমি কিন্তু নেহাত তোমার আঁকা ছবির ধোঁয়া।
আমি রোজকে রোজ তোমার গগনচুম্বন করে
স্বার্থপর এর মতো আবার একাই আসি ফিরে।
বলছি আজ শোন তুমি আমার প্রেমের দাড়ি কমা
পবনে উড়িয়ে দিলাম চিঠি ইতি প্রিয়তমা......
তোমার হাতের রেখা ছুয়ে গল্প গেঁথে রোজ
হারিয়ে গিয়ে তোমার মাঝে পেয়ে যাই মোর খোঁজ।
গোধুলীতে মেঘে আবছা আলোয় লালরাঙা তুমি একা
বছর দেড়েক আগে প্রথম যেদিন তোমায় দেখা।
সেদিন থেকে তোমায় নিয়ে আমার লেখা কাব্য
রোজ কে রোজ নতুন করে তুমি হও নব্য।
রোজ তোমাকে ছুয়ে দেই বাতাসের আবরণে
কোলাহলে খুজে নেই তোমায় নিজের আনমনে
ভালোবাসি বলে দোষারপে কি করবে আমায় ক্ষমা?
পবনে উড়িয়ে দিলাম চিঠি ইতি প্রিয়তমা।

Wednesday, May 16, 2018

চলো আবার ফিরি -আর রাফিউ খান ঈশান


অনেক প্রহর তো চলেই গেলো অনেক তো হলো অপেক্ষা,
অনেক ফেরার সময়ে খুঁজেও পাই নি তোমার দেখা।
এখন আর ছোট আঙুলের ছোয়ায় হাসি ঝড়ে না,
এখন আর কপাল জুড়ে চুম্বন জোটে না।
এখন সময় থমকে যায় না আগের মতো আর
এখন নিজের দিকে আয়নায় তাকাই বারেবার।
ভাবি অনেক কিছু পুরোনো অনেক স্মৃতির কাব্যরস
আমার তোমার রঙ্গিন দিনের যত প্রেমের বস।
তুমি আর ফিরে আসবেনা জানি আমার কোন আহবানে
আমি তবুও উন্মাদ হয়ে এক হওয়ার স্বপ্ন যাই বুনে।
অবিরত ছায়ার মতো পাশে থাকা তবুও আলোতে অন্ধকার
পিছুটানে তাকাতে না পারি আমার সামনে বন্ধ দ্বার।
পর্দা সরাতে পারি নি রয়ে গেছে কিছু অদ্ভুদ দেওয়াল
কিছু পুরোনো গানের সাথে কিছু খাম খেয়াল।
আজ সাদাকালো পৃথিবীতে আমি শত রাস্তার শেষ
তুমি তো আছো ঐ ওপরে আগের মতোই বেশ।
হাসছো আমার স্বপ্ন ভেঙে হয়তো প্রখর ভাবে
আমি বেচে থাকি এখন তোমার অভাবে স্বভাবে।
চলো আবার দেখা হবে সাদা আকাশে মেঘের ভিড়ে
আবার অনেক ভালোবেসে তোমার বুকটা ফেলবো চিড়ে।

Tuesday, May 1, 2018

আমার হারানো তুমি

আমি তোমার সমুদ্র পারে,বেধেছিলাম আমার ক্যানভাস 
তুমি কোন এক বেখেয়ালে দেখোনি। 
আমি আলোছায়া হয়ে,হেটেছিলাম তোমার সাথে 
তুমি ভুল করে দেখেও বোঝোনি। 
গোধূলি বেলা শেষে,
ঈশানকোণের মেঘে রক্তিম চোখে তুমি তাকিয়ে। 
অশ্রু বিদায় জানায় আমায়,
তোমার বেচে থাকা দায় 
আমিও ভুলভালে মিশে যাই ক্রন্দনে। 
কতশত রঙিন মলিন মলাট 
আর পুরোন সে খেয়াঘাট 
হারিয়ে যাবে একদিন একদিন। 
আবার আলো হয়ে যাবো 
তোমায় রাঙিয়ে দেবো 
তুমি নতুন সাজে রবে চিরদিন চিরদিন। 

- ঘুম ভাঙা রাজকন্যা চির সুখি হয় সুখি থাকে সারাটি জীবন 
চিৎকার করে ভালোবাসি বলে ঢুকে যাই হৃদয়ে তোমার কবে বা কখন! 
তোমার জন্য ভালোবাসা দিয়ে গঠিত আমার বাকিটা ভুবন 
আর শেষ বয়সেও আমি পেতে চাই তোমার স্পর্শকাতর পুরো শিহরণ। 
আজ আমি আবার আমার পুরনো গিটার নিয়ে সুর তুলি দূর থেকে দূর, 
আর চেয়ে দেখি তুমি একা খেয়াঘাটে বসে কাঁদো একাকী রাতদুপুর।

ইহা ছিলো শুধুমাত্র একখান ম্যাসেজ

যেদিনই আমি তোমার আমার ব্যাবচ্ছেদদ খুজেছি সেদিনও তোমার চোখে বিষাদের ভালোববাসা দেখেছি। আমিও মহাকালমাঝে হেটে একা দুঃসাহস আগলিয়ে কুঠারাঘাতে বিচ্ছিন্ন গায়ে তোমারই পথে গিয়ে একেছি নতুন স্বাধীনতা প্রাণপণে অমরত্তের নেশায় ভালোবাসা বেচে থাকুক অক্ষিগোলকের আশায়, কিছুটা জোড়া ঠোটের চোষায় অথবা মরে যাক কোন ধোয়াশায়।

Monday, March 5, 2018

তুমি অব্যাক্ত ভালোবাসা -আর রাফিউ খান ঈশান


তুমি মনের কারাগারে দগ্ধতার সাথে যুদ্ধে হেরে যাওয়া অনুপমা,
তুমি ব্যাকুলতার চোখে নীলাকাশ দেখা সরল রাজকন্যা।
উপমহাদেশ খুবড়ে খুবড়ে আমার স্মৃতিকে কাছে টানার আকাংখা তুমি,
তুমি রক্তাক্ত জল্লাদের খাড়াতির ধারের মতোই সুন্দরী।
তুমি বার্তায় লেখা সামনাসামনি দেখা হওয়া এক অদেখায় ঘেরা বালিকা,
কিংবা ঈশান কোণের হারানো কালো মেঘের ঘনঘটা।
তুমি শুষ্ক মরুভুমির এক ফোটা তৃষ্ণার্ত জলের খোঁজে পাওয়া,
সরলতার অলসতায় ক্লান্তিহীন বেণুবীনে হারিয়ে যাওয়া।
গোধুলী লগ্নে ঢেউ কোন এক উত্তালতার ক্ষোভে হারানো;
বৈঠাবিহীন সাম্পানের তলায় শৈবালে অহংকারে জমানো;
ভালোবাসা। তুমি আমার পরাণে তিক্ষ্ণ তিক্ত ব্যাথা কেউ জানতো না,
আর দুঃখ ব্যাথিত চিত্তে তুমিমি নাইবা দিলে সান্ত্বনা।

Sunday, January 14, 2018

অন্তিম ~ আর রাফিউ খান ঈশান


আস্তে আস্তে তুমিতে আসা আপনি ভুলে যাওয়া,
আস্তে আস্তে পাশে বেকে বাহুডোরে পাওয়া।
শীতের রাতে তুমি আমি এক চাদরের তলে
উষ্ণতায় যে কতোশতো ভালোবাসা ফলে।
রাত বিরাতে দুজনের ঐ কুড়িয়ে নেওয়া তারার
রাতের বিছানায় হাতে হাত রেখে অনুভব ভালোবাসার।
ফোনের ওপারে বলে দেওয়া ভালো থেকো আর রেখো
বুকে মাথা। শান্তিতে ঘুমুবে আজ এটা মিলিয়ে দেখো।
একটু তুমি বুকের ভেতরে আঘাত করো ঠোটের,
আর আমিও পাগল হাসির অশ্রু ঝরাই আমার মনের।

এগুলো আজ হারানো সব দিন, মৌমাছি আর নেই ফুলে
মৌমাছিও আজ বেচে থেকে অভিমানে চলে গেছে দূরে।

আজ বুঝিনা তবে কি কারণে ঠোটে তামাক পাতা পোড়ে,
যে ঠোটে তে তোমার ঠোটের পরশ দিয়েছিলে দূরে সরে।
আমরা আসলে একাই থাকি আমাদের আমরা আসল না
আমরাই আবার দূরে সরে থেকে আমাদেরই বলি মিশিনা।
আবারো মিশে যাই নিজের জীবনে সয়েই তো নিতে হবে
ভেবেছিলাম হয়তোবা কাউকে নতুন জীবন দিতে হবে।
ভুল ভাবাটাও শিখিয়েছিলে তুমি সেটা অবশ্য মনে আছে
আমি ভালোবেসে তোমারে হারিয়েছি পাছে পাছে।
আর তুমি বোঝোও নি বাসো ভালো আমায় দূর বা কাছে থেকে
নিজেকে কখনও করোনি প্রশ্ন কেনো ভয় লাগে চোখ রাখতে চোখে।

কিই বা চেয়েছিলাম তোমার কাছে কিই বা করেছিলাম দাবী?
শুধু বলেছিলাম তোমারে একবার শুধু জড়িয়ে ধরে কাঁদি।
তাও দাও নি দিবে কিনা তা বলেও ছিলেনা সত্য
নিজেকেও আজ মনের ভুলে বলে ফেলি অসত্য।
আজ সিগারেট এর ছাইটাই সঙ্গী হয়ে পড়ে রয় শীতের রাতে
আর পিছন থেকে নিজেই বলে ঈশান শোন ভুললেও মনে রাখিস আমাকে।

Wednesday, January 10, 2018

কথা-রাফসান ঈশান




কতো মায়াতে কতো আহত শরীরে বেদনার হাসি দেখি
কতো উল্লাসে কতো মেঘে সংসয়ের ছবি আঁকি।
কতো নিহতরা কতো হাসিতে ফাঁসিতে ঝুলে রোজ কে রোজ
কতো জীবনে কতো সুখের বাসনা করে কতো মানুষে খোঁজ।
কতো ব্যাথা কতো সয়ে যাবো শত আধারের ভীরে
কতো না পারা কতো কাম সারা একাকীত্বের তীরে।
কতো গ্লানিতে কতো আকাশ খুঁজে বেড়ায় নিখোঁজ আত্মার মন
কতো ঘুমে কতো স্বপ্ন দেখা আত্মার পরিজন।
কতো জলসা কতো টা দেখেছো এক জীবনে দু’চোখে
কতো রাতে কতো কেঁদেছ মাথা রেখে এ বুকে।
কতো মশালের কতো আলোয় হাসির ছোঁয়া মেখেছো?
কতো সবুজে কতো প্রাণে তুমি নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচেছ?
কতো স্মৃতি কতো বাচিয়ে রেখে ফেলে দিয়েছো ছুড়ে
কতো অজানায় কতো মশালের আগুনে সব পুড়ে।
কতো বিসাদে কতো ক্ষমতার ভীড়ে হারিয়ে যাও প্রতিবার?
কতো সিসাতে কতো বিষ আছে সবই কি কোন মৃতক্ষার?
কতো নিকোটিনে কতো জীবন বেঁচে থাকে হিসাবে গড়মিল
কতো অমৃততে কতো স্বাদ বুঝেনা মনের চিল।

ওহে জানো কি কতো দুয়ারে কতো বার কতো স্বপ্ন বুনে কতোবার ঘুরে এসেছি
আর কতখানি মনে কতোখানি প্রাণে কতোখানি ভেবে তোমাকে বুননে বেধেছি।
এসব অনুভুতি কতোখানি? নিজেকে প্রশ্ন রেখে করো।
কতো প্রশ্নের কতো উত্তরের ফাকে উত্তর খুঁজে ফেরো।