Saturday, September 29, 2018

~~~~~~~ধর্ষিতাদের স্বপ্নগুচ্ছ ~~~~~~~~আর রাফিউ খান ঈশান


লালসার গভীরে মৃতদেহের মতো লুকিয়ে থাকে নিজ প্রতিচ্ছবি
আকাঙ্খার আস্থায় সদ্য জীবনে রচয়িতা করে নিজের আত্মা কবি।
অন্য পথে অমানুষের পাওয়া কৃতার্থ পড়ে রয় মানুষের বিপরীতে,
মৃত্যু কি রসিকের রসালো কাব্য কেড়ে কি পারে নিতে।
মহাকালের ত্রিসীমানার বেড়াজালে কাব্যগুলো ভাজে ভাজে আকা থাকে,
রঙ গুলো সুর হয়ে বিস্বাদে বাচে আদরমালায় সেই সীমানার শেষ বাকে।
ভুধরে আত্মভোলা নরমানব মানবীর কর্দমাক্ত রক্ত চিন্ন একে পড়ে যায় শুকিয়ে
সেই শোকে এক সেই ধর্ষিতার বুক হঠাতই কেদে ওঠে যেনো ফুপিয়ে।

এই সেই আগের আলাভোলা প্রকৃতিপ্রেমিক যার চোখে দেখো আগুন
আবার যাবো সবাই সুন্দরের মাঝে আর বানাবো সুখের ফাগুন।

প্রিয় প্রাক্তন

প্রিয় প্রাক্তন,

যখন তুমি রক্তিম আকাশে ধুলিকণায় আমার ভালোবাসা খুজতে,
তখন উল্লাসে পথে দাঁড়িয়ে তোমার চাহনী দেখে উন্মাদ বনে যেতাম।
হয়তো দুহাত প্রসারিত করে বাহুডোরে নিতে চাইতাম একবার, কিংবা মাঘের শীতলতায় কাবু হয়ে আধা ক্রোশ পাড়ি দিতাম ফ্লেক্সিলোড এর দোকানে।
সে অনেক পুরনো কথা। নতুন করে মনে করছিলাম লজ্জায় হাত ধরে হাটা রাস্তায়, কিংবা রাস্তার মাঝখানে জড়িয়ে ধরে পাগলামী তোমার বড়ই ভালোলাগা। চোখে কাজল নিতে বলেছিলাম। পরদিন আর চোখ ফেরাতে পারিনি তোমার থেকে, তোমার জন্য হাত খরচের জমানো ২৪৫০ টাকার নীল পাঞ্জাবীতে তোমার চুলের ছোয়া এখনও লেগে আছে।
বেলাশেষে যখন কারো বুকে মাথা রাখার জায়গা পাবেনা তখন আমাকে স্মরণ করো আঁধারের বেড়াজালে। আমি আসবো। রোজ আসবো তোমার স্বপ্নে। রোজ ভাসাবো তোমায় ভালোবাসার জলে।

ইতি
তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী।