আজ থেকে কিছুকাল পরে পেড়িয়ে যাবে প্রায় ৬০ টি বছর। সেসময় ড্যাফোডিলে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি নামক জায়গাটা অনেক বদালাবে। তখন হয়তো আমরা একসাথে থাকবো না। যারা থাকবো তারাও হয়তো বয়সের ভাড়ে চোখে মোটা কাচের চশমা জুড়ে এ্যালবামের ৩৬ নাম্বার পৃষ্ঠায় দেখবো আমাদের আবছা কিছুটা ক্যামেরার তোলা ফটো। তার মধ্যে এই ফটোটা বের হলেই নাতি নাতনীদের ডেকে দেখিয়ে বলবো "বলতো নানুভাই/দাদুভাই এখানে আমি কোথায়?"। তার কিছুক্ষণ পরেই হয়তো মুখে তুলে নিবো সেই অনেক আগের লাল চায়ের কাপ। এক চুমুকে আর একটু খেলার ছলেবলে মাতিয়ে রাখবো বাচ্চাগুলোকে।
এরপর আবার হয়তো আমার ছেলেমেয়েরা আমাকে ছেড়ে চলে যাবে। বৃদ্ধাশ্রমে কি আর ছেলেরা থাকবে নাকি? বউমার তো আলাদা না হলে সমস্যা হয়।
তারপর গভীর নিঃশ্বাস ফেলে সন্ধ্যার জোছনায় মাটিতে গড়িয়ে পরে তোদের মধ্যে থেকেই কাউকে বলবো
-" দোস্ত কেমন লাগছে আজ? "
তুইও মুখের ১৬ টা বেচে থাকা দাঁত নিয়ে একটু গোমড়া মুখে বলে উঠবি " বৃদ্ধাশ্রম টা আমি না বানালে আজ এখানে থাকতে পারতাম না। ভালোই আছি। " ।
এরপর আবার হয়তো আমার ছেলেমেয়েরা আমাকে ছেড়ে চলে যাবে। বৃদ্ধাশ্রমে কি আর ছেলেরা থাকবে নাকি? বউমার তো আলাদা না হলে সমস্যা হয়।
তারপর গভীর নিঃশ্বাস ফেলে সন্ধ্যার জোছনায় মাটিতে গড়িয়ে পরে তোদের মধ্যে থেকেই কাউকে বলবো
-" দোস্ত কেমন লাগছে আজ? "
তুইও মুখের ১৬ টা বেচে থাকা দাঁত নিয়ে একটু গোমড়া মুখে বলে উঠবি " বৃদ্ধাশ্রম টা আমি না বানালে আজ এখানে থাকতে পারতাম না। ভালোই আছি। " ।

No comments:
Post a Comment