Friday, December 22, 2017

প্রিয় মহারাণী

প্রিয় মহারাণী,

নিজের ক্ষতি করে কি কোন লাভ আছে বলো? কিছুই তো লাভ নেই। মরে গেলেও পরে আল্লাহ হাতে ধরে জাহান্নাম দিবে। আর আসল কথা হলো হাসনা হেনা নামের আইডীর মালিকটাকে নিজের মতো আদর করে ভালোবাসতে পারবো না। আসলে তুমি আমাকে এতোবার ফিরিয়ে দেওয়ার পরেও কেনো আমি ভালো থাকি জানো? কারণ তুমি আমাকে কখনও বলনি যে আমাকে ভালোবেসো না। সবসময় বলেছো আমি পারবো না। হ্যা তুমি পারো নিজের জন্য পারোনা। আর যদি নিজের ক্ষতি করতাম অনেক আগেই করতাম। এখন আ রকিছু করার বাকি নেই। আর বাকি থাকবেই বা কেনো যাকে এতোগুলা মানুষ ভালোবাসে যার জন্য সবাই ভাবে তার এই ভালোবাসার মানুষগুলা ছাড়া আর কি লাগে। আর মরে গেলে? মরে গেলে যে তোমাকে পাবো না লক্ষিটা আমার! তোমাকে পেতে হলে কি করতে হবে জানিনা। তবে এটুকু জানি আমার তোমাকে নিয়ে ভালো থাকতে হলে তোমাকে ভালোবাসতে হবে আর আমার পক্ষে তোমাকে ছাড়াও থাকা পসিবল না। হ্যা তোমার হয়তো এটা মনে হতে পারে আমার ফ্যামিলি আর তোমার ফ্যামিলির কথা দুট মানায় না। কিন্তু জানো? আমার বিয়েটা পুরোটাই আমার আর আল্লাহ এর হাতে। কোন বাবা মা এর হাতে না। আমি যদি একজন ধর্ষিতাকেও বিয়ে করি আমি জানি আমার বাবা খুশি না হলেও আমার মা খুব খুশি হবেন কারণ আমি আমার দুখিনী মায়ের সন্তান। তুমি দেখতে আহামরি সুন্দরী না। আর সব বড়লোক মেয়েদের মতো এটা সেটা খেয়ে বানানো তুলতুলে শরীরের অধিকারীও না কিন্তু কি জানো তোমাকে কেনো ভালোবাসি এটা আমি এখনও খুঁজে পেলাম না। সেদিন না জিজ্ঞাসা করেছিলে। আজও খুঁজে পেলাম না। যাই হোক আমি এমনই থাকি না। থাকো না আমার মহারাণী হয়ে। কোন একদিন গ্রীষ্মের প্রখর তাপের শুষ্কতা গুলোকে পেছনে ফেলে আমাকে মহারাজা বানিয়ে নিও। রানীই হবে দেখো। ঠিক হয়ে যাবে। পুরোটা রাণী। শেষ ভালোবাসা কেমন হয় জানি না। কিন্তু আমার আর মেয়েদের প্রতি যখন সব ফিলিংস গুলো হারিয়ে যাচ্ছিলো তখন তোমার মতো একজন সাধারণ মেয়ে এসে আমাকে ভালোবাসা শিখিয়েছে , আর শিখিয়েছে জীবনে সুখ নয়, শান্তি নিয়ে বেচে থাকতে। একদিন কান্না পেলে আমার বুকে মুখ লুকিয়ে কান্না করবে। সেই দিনের অপেক্ষায়।

                                                                                                                       
                                                                                                                          ইতি
তোমার এবং তোমারই মহারাজা।

Sunday, December 17, 2017

আমার অবুঝ স্বাধীনতা -আর রাফিউ খান ঈশান



হাতে লাঠি বন্দুক নিয়ে তুমি দেখাও স্বাধীনতা
আর পায়ের তলায় মুড়িয়ে দিয়েছো লাল সবুজ পতাকা।
আর শহর কুড়িয়ে নাওনা তুমি রোজ আগে নিতে যেমন
তাই বাংলার সব স্বপ্নগুলোও রয়ে যায় অপূরণ।
আর রাস্তার ধারে উচ্চকন্ঠে ভিন্নদেশী গান
কেনো সম্মান না করতে পেরে করো মা কে অপমান।
আর তাই দেখে আরো কুলাঙ্গার গুলো হাতে হাতে একসাথে
দুমড়ে মুচড়ে খেয়ে ফেলে দেশ আধো জ্যোৎস্নার রাতে।
আর কিছু মানুষে জানেও না এ দেশের স্বাধীনতা খানি কি!
তারা নেশার প্যাকেট আনে দেহে আর থাকে কি কিছু বাকি?
আর তরুণ সমাজের কিছু কিছু যুবক যুবতি এসে
সেই নেশার ছলে একসাথে লেগে থাকে বসে।

ওহে ৪৬ বছরের মধ্যবয়সী তোমার জন্মের সময়,
তোমার মা পথে ঘুরেছে করে নিজের বক্ষ ক্ষয়।
তোমার বাবা শহীদ মোস্তফা নামও কি মনে নাই তোমার?
কিরকম ছেলে তুমি ঘৃণাও যে করে না আর।
সেদিনও তোমার মা বেচে গিয়েছিলো বর্বর রাতে সেই সর্বস্বে,
নাহলে আজ তুমি হতে ছোট আর লোকে বলতো জারজ হে।
আরে ভেবে দেখো তুমি বেচে গেছো কারণ ছিলো লাখো শহীদের প্রাণ
আর মাঝখানেতে বেজে ওঠা কিছু তরুণ প্রজন্মের গান।
আর সাথে থাকা কিছু নষ্ট মেয়ের বা মহিলার সম্মান,
অথবা কিছু বড় বা ছোট ভাইদের হারানো জান প্রাণ।

বুঝবে না নাকি এখনও রবে চুপটি করে বসে,
আজ ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ তা কি স্বরণে আছে?
আজ ভাই আজ হাত মিলিয়ে দেশের কাজ করি
নিজের মায়ের কথা ভেবে এগিয়ে গিয়ে মরি।
আর দেশই তো মা আমাদের একটু সাজিয়ে রাখি
কারণ আর পাবিনা সুযোগ যদি উড়ে যায় তোর পাখি।
পরে খোদার কাছে কি দিবি জবাব যতই করিস ডাকাডাকি
চল সব ভুলে গিয়ে নিজের দেশের স্বাধীনতা বুকে আঁকি।

Saturday, December 9, 2017

আমার থমকে যাওয়া তুমি-আর রাফিউ খান ঈশান


আস্তে আস্তে তুমিতে আসা আপনি ভুলে যাওয়া,
আস্তে আস্তে পাশে বেকে বাহুডোরে পাওয়া।
শীতের রাতে তুমি আমি এক চাদরের তলে
উষ্ণতায় যে কতোশতো ভালোবাসা ফলে।
রাত বিরাতে দুজনের ঐ কুড়িয়ে নেওয়া তারার
রাতের বিছানায় হাতে হাত রেখে অনুভব ভালোবাসার।
ফোনের ওপারে বলে দেওয়া ভালো থেকো আর রেখো
বুকে মাথা। শান্তিতে ঘুমুবে আজ এটা মিলিয়ে দেখো।
একটু তুমি বুকের ভেতরে আঘাত করো ঠোটের,
আর আমিও পাগল হাসির অশ্রু ঝরাই আমার মনের।


এগুলো আজ হারানো সব দিন, মৌমাছি আর নেই ফুলে
মৌমাছিও আজ বেচে থেকে অভিমানে চলে গেছে দূরে।

আজ বুঝিনা তবে কি কারণে ঠোটে তামাক পাতা পোড়ে,
যে ঠোটে তে তোমার ঠোটের পরশ দিয়েছিলে দূরে সরে।
আমরা আসলে একাই থাকি আমাদের আমরা আসল না
আমরাই আবার দূরে সরে থেকে আমাদেরই বলি মিশিনা।
আবারো মিশে যাই নিজের জীবনে সয়েই তো নিতে হবে
ভেবেছিলাম হয়তোবা কাউকে নতুন জীবন দিতে হবে।

ভুল ভাবাটাও শিখিয়েছিলে তুমি সেটা অবশ্য মনে আছে
আমি ভালোবেসে তোমারে হারিয়েছি পাছে পাছে।

আর তুমি বোঝোও নি বাসো ভালো আমায় দূর বা কাছে থেকে
নিজেকে কখনও করোনি প্রশ্ন কেনো ভয় লাগে চোখ রাখতে চোখে।
কিই বা চেয়েছিলাম তোমার কাছে কিই বা করেছিলাম দাবী?
শুধু বলেছিলাম তোমারে একবার শুধু জড়িয়ে ধরে কাঁদি।
তাও দাও নি দিবে কিনা তা বলেও ছিলেনা সত্য
নিজেকেও আজ মনের ভুলে বলে ফেলি অসত্য।

আজ সিগারেট এর ছাইটাই সঙ্গী হয়ে পড়ে রয় শীতের রাতে
আর পিছন থেকে নিজেই বলে ঈশান শোন ভুললেও মনে রাখিস আমাকে।