সে ছিলো কোন আবরণে মাখা ধুসর
বর্ণের মানবী।
ধুসর? হ্যা ধুসর। কালো নয়
সে, বরং মায়াভরা দানবী।
চর্মের রঙ ধুসর তার। আর
তার মাঝেই ভালোবাসা লুকিয়ে
অধির অপেক্ষায় আমার কারণে।
আমি তো যাচ্ছি শুকিয়ে,
সেই ভালোবাসার তরে তাহার
কালো মুখের মলিন লাজুক হাসি।
আমি সাদাবর্ণের। তাই বলে
কি বুঝোনা ভালোবাসি?
উৎসবে মেতে থাকা সাদাকালো
জীবন আজ ধুসর আমার।
ধুসরই ভালো।আমার আবার এতো
চাইনা। আর তোমার?
তোমার তো শুধু দরকার একটু
মাথা গোঁজার ঠাই।
পাও নি এখনও খুঁজে সেই স্থান?
আরে ভাই,
আমার সমতল ছাতিখানা আছে ন
বই কি?
বলতে কি দ্বিধা “একটু
বুকে মাথা রাখি?”
না হয় না বললা। কার কি
আসে যায়? আমি তো ক্ষুদ্র।
আমি বাবা কিন্তু ভালোবাসার
তরে খুব ভদ্র।
তবে পেরিয়ে গেছে তোমার
পোড়া ধুসর মুখের দিকে তাকিয়ে,
পেরিয়ে গেছে আজ আটের দশ এ
আশিখানা বছর। ঝাকিয়ে
কি দেখেছিলে আমার কলিজাখানা?
এখনও কিন্ত জমে আছে
ভালোবাসা তোমার তরে। আমি
এখনও ঘুরে বেড়াই তোমার পাছে।
তোমার বুড়ো বয়সের দেহখানা
খাটিয়ায় তুলতে কিন্তু বেশ কষ্ট
পেয়েও আঁখিজল ফেলিনি।
ভালোবাসা জমে আছে স্পষ্ট।
তবে কি জানো রাতের আধারে
এখন জীবন কাটে ভালোবাসায় খাটি।
আর ওদিকে তুমি ঘুমিয়ে আছো।
সাথে চাঁদের জ্যোৎস্নায় পোড়া মাটি।