Wednesday, May 30, 2018

কালোর মায়া~ আর রাফিউ খান ঈশান


তুমি অপরুপা, কুৎসিত নহে আমি বলেছি শুনিয়া দেখো,
আমার কথাগুলা তোমার কোমল গালে সুরভের মতো মাখো।
তোমার মায়া কি তুমি দেখিয়াছো না আমিই চাহিয়া দেখি,
আর অজান্তেই সেই মুখের প্রতিচ্ছবি চলি আঁকি।
আয়নার কাচগুলো আর রাগ করিয়া থাকে না দেখিয়া তোমারে,
তাহারা দেখায় নিজের রুপখানা ভালো লাগিবেনা নিজেরে।
তাহইলে নিজেরে কেনে নিজের থাকিয়া বলো না তুমি ভালো?
এর কি সেই একটাই দোস মাইয়া তুমি কালো?

কালোর শরীরে মায়া খুজে না কিন্তু সবাই ধলার কালো,
আমায় নিয়া বাচিবে কি তুমি যদি এভাবেই বাসি ভালো?


এক এক করিয়া দেখিয়া তোমায় সবাই ফেলিয়া গেছে,
ভুল ভাবিয়াও চাইয়া দেখেনি কালো মাইয়াটা আছে পিছে।
তাহারা ধলার পুজারী ভালো নাহি বাসিবে ধলা না কপালে জুটিলেও,
ধলা ধলা বলি মরিয়া যাইবে নিজের কপাল কুটিলেও।
সুন্দর থাকিতে কেহ কি জীবনে তোমায় নিয়া ভাবিছে!
নাকি আমিই মানব তোমার লাগিয়া পথখানা চাহিয়া রহিছে।
জীবন কুটিয়া ফেলিয়া দিলেও বলবো তুমি ভালো,
কালোর শরীরে মায়া খুজে না কিন্তু সবাই ধলার কালো।

আলো থাকিলে নিজের কাছের সঙ্গি রহে ছায়া,
কালোর লাগিয়া ছায়ার মাঝেও ফুটিয়া ওঠে মায়া।
আবার দেখো কালোর লাগিয়া ছায়াও দেখা নাহি যায়,
কেহ কি আলো ছাড়া সেই ছায়ার দেখা পায়?
তবে তুমি কেনো দাম দাও না নিজেকে পুড়ে যাও কালো বলিয়া,
তোমারে কি মনে হয় আমিও তোমারে চলে যাবো সেথায় ফেলিয়া?
চলো আয়না গড়ি তোমার আমার হইবে অনেক কালো,
তবে আমায় নিয়া বাচিবে কি তুমি যদি এভাবেই বাসি ভালো?

ইতি প্রিয়তমা ~আর রাফিউ খান ঈশান

আমার ইচ্ছেগুলো ধুয়ে দিলে নতুন ইচ্ছে সাজে
সকল ইচ্ছে রেখে দিবো তোমার খোপার ভাঁজে।
কথার খাম পাঠাবো ডাক পাখির পায়ে গেঁথে
ধুলিমেঘের মধ্যেও যাবো তোমার জন্য হেটে।
আমার মনের বাটখাড়া তে তোমার স্পর্শ ছোয়া
আমি কিন্তু নেহাত তোমার আঁকা ছবির ধোঁয়া।
আমি রোজকে রোজ তোমার গগনচুম্বন করে
স্বার্থপর এর মতো আবার একাই আসি ফিরে।
বলছি আজ শোন তুমি আমার প্রেমের দাড়ি কমা
পবনে উড়িয়ে দিলাম চিঠি ইতি প্রিয়তমা......
তোমার হাতের রেখা ছুয়ে গল্প গেঁথে রোজ
হারিয়ে গিয়ে তোমার মাঝে পেয়ে যাই মোর খোঁজ।
গোধুলীতে মেঘে আবছা আলোয় লালরাঙা তুমি একা
বছর দেড়েক আগে প্রথম যেদিন তোমায় দেখা।
সেদিন থেকে তোমায় নিয়ে আমার লেখা কাব্য
রোজ কে রোজ নতুন করে তুমি হও নব্য।
রোজ তোমাকে ছুয়ে দেই বাতাসের আবরণে
কোলাহলে খুজে নেই তোমায় নিজের আনমনে
ভালোবাসি বলে দোষারপে কি করবে আমায় ক্ষমা?
পবনে উড়িয়ে দিলাম চিঠি ইতি প্রিয়তমা।

Wednesday, May 16, 2018

চলো আবার ফিরি -আর রাফিউ খান ঈশান


অনেক প্রহর তো চলেই গেলো অনেক তো হলো অপেক্ষা,
অনেক ফেরার সময়ে খুঁজেও পাই নি তোমার দেখা।
এখন আর ছোট আঙুলের ছোয়ায় হাসি ঝড়ে না,
এখন আর কপাল জুড়ে চুম্বন জোটে না।
এখন সময় থমকে যায় না আগের মতো আর
এখন নিজের দিকে আয়নায় তাকাই বারেবার।
ভাবি অনেক কিছু পুরোনো অনেক স্মৃতির কাব্যরস
আমার তোমার রঙ্গিন দিনের যত প্রেমের বস।
তুমি আর ফিরে আসবেনা জানি আমার কোন আহবানে
আমি তবুও উন্মাদ হয়ে এক হওয়ার স্বপ্ন যাই বুনে।
অবিরত ছায়ার মতো পাশে থাকা তবুও আলোতে অন্ধকার
পিছুটানে তাকাতে না পারি আমার সামনে বন্ধ দ্বার।
পর্দা সরাতে পারি নি রয়ে গেছে কিছু অদ্ভুদ দেওয়াল
কিছু পুরোনো গানের সাথে কিছু খাম খেয়াল।
আজ সাদাকালো পৃথিবীতে আমি শত রাস্তার শেষ
তুমি তো আছো ঐ ওপরে আগের মতোই বেশ।
হাসছো আমার স্বপ্ন ভেঙে হয়তো প্রখর ভাবে
আমি বেচে থাকি এখন তোমার অভাবে স্বভাবে।
চলো আবার দেখা হবে সাদা আকাশে মেঘের ভিড়ে
আবার অনেক ভালোবেসে তোমার বুকটা ফেলবো চিড়ে।

Tuesday, May 1, 2018

আমার হারানো তুমি

আমি তোমার সমুদ্র পারে,বেধেছিলাম আমার ক্যানভাস 
তুমি কোন এক বেখেয়ালে দেখোনি। 
আমি আলোছায়া হয়ে,হেটেছিলাম তোমার সাথে 
তুমি ভুল করে দেখেও বোঝোনি। 
গোধূলি বেলা শেষে,
ঈশানকোণের মেঘে রক্তিম চোখে তুমি তাকিয়ে। 
অশ্রু বিদায় জানায় আমায়,
তোমার বেচে থাকা দায় 
আমিও ভুলভালে মিশে যাই ক্রন্দনে। 
কতশত রঙিন মলিন মলাট 
আর পুরোন সে খেয়াঘাট 
হারিয়ে যাবে একদিন একদিন। 
আবার আলো হয়ে যাবো 
তোমায় রাঙিয়ে দেবো 
তুমি নতুন সাজে রবে চিরদিন চিরদিন। 

- ঘুম ভাঙা রাজকন্যা চির সুখি হয় সুখি থাকে সারাটি জীবন 
চিৎকার করে ভালোবাসি বলে ঢুকে যাই হৃদয়ে তোমার কবে বা কখন! 
তোমার জন্য ভালোবাসা দিয়ে গঠিত আমার বাকিটা ভুবন 
আর শেষ বয়সেও আমি পেতে চাই তোমার স্পর্শকাতর পুরো শিহরণ। 
আজ আমি আবার আমার পুরনো গিটার নিয়ে সুর তুলি দূর থেকে দূর, 
আর চেয়ে দেখি তুমি একা খেয়াঘাটে বসে কাঁদো একাকী রাতদুপুর।

ইহা ছিলো শুধুমাত্র একখান ম্যাসেজ

যেদিনই আমি তোমার আমার ব্যাবচ্ছেদদ খুজেছি সেদিনও তোমার চোখে বিষাদের ভালোববাসা দেখেছি। আমিও মহাকালমাঝে হেটে একা দুঃসাহস আগলিয়ে কুঠারাঘাতে বিচ্ছিন্ন গায়ে তোমারই পথে গিয়ে একেছি নতুন স্বাধীনতা প্রাণপণে অমরত্তের নেশায় ভালোবাসা বেচে থাকুক অক্ষিগোলকের আশায়, কিছুটা জোড়া ঠোটের চোষায় অথবা মরে যাক কোন ধোয়াশায়।