লালসার প্রতিশোধ
-আর রাফিউ খান ঈশান
এক পশলা বৃষ্টি তোমার
তরে
বৃষ্টি ভাবো অথচ অশ্রু
ঝরে।
স্বাদ নাওনি তাই ভেবছো
বৃষ্টি মিঠা অমৃত,
শরীর ভিজিয়েছ চাদরে
জরানো হয়তো পবিত্র।
মনে কি পরে সেই ৫ বছর
আগে আমার বাহুডোরে
ভিজিয়েছিলে নয়ন সাক্ষী
প্রকৃতি ভালোবাসার তরে।
সেইদিন বুকে মাথা রেখে নিয়েছিলে
কতটা দীর্ঘশ্বাস
আমিও বোকা ভালোবেসেছিলাম
দিয়েছিলাম আশ্বাস।
ঘুম থেকে উঠি ফোনের ওপরে
তোমার নামের কল
দুপুরে কথা তবুও ভরেনি
তোমার মনঞ্চল।
শত ব্যস্ততা ঝেরে ফেলে
দূর পীচঢালা কোন পথে
আঙ্গুলে আঙ্গুলে যেনো
আমাদের প্রেম বেড়াতো দৌড়ে ছুটে।
সন্ধ্যায় ফালুদা খেতাম
দুজনে পছন্দ ছিলো খুব
রাতে এদিকে আমি নিকৃষ্ট
কেঁদে ভাসাতাম বুক।
হঠাৎ একদিন আমাথার বেথায়
পরে যাই মাঝ পথে
ডাক্তার শুধিয়ে
হাসপাতালে তুমি নিয়ে গিয়েছিলে ছুটে।
তারপর থেকে তোমার ধরণ
বদলে দিলে তুমি
জেনেছিলে নাকি বেশিদিন
আর বাঁচবো নাকো আমি।
একদিন নাকি সত্যি আমি গিয়েছিলাম
যে মরে
ঐ দিনই তুমি শুয়েছিলে
তোমার নতুন মানুষের ঘরে।
ভালোবেসে তোমাকে এক
মুহূর্তে করেছিলাম বড়ো আপন
তুমি তোমার কামনার রসে
করলে আমার মৃত্যু উৎযাপন।
মরেছি আমি আশেপাশে ছিলো
শতো লোকের ছোটা
তবুও তোমার চোখ থেকে জল
পরেনি এক ফোটা।
এরপরেও মেটেনি সুখ তোমার
ওই সাদা চামড়ার শরীরের
আমার কবরে আজো শোনা যায়
চিৎকার এক টুকরো ক্ষতের।
ওপর থেকে বীর্য ঝরাই
তোমার ছাদের ওপর
বৃষ্টি ভেবে তুমি নিজেই
ভেজো আর ভিজাও কাপড়-চোপড়।
আজ আবারো বলি এ বীর্য
বৃষ্টি শুধুই তোমার তরে
অশ্রুটুকু মাত্র ছন্দই
ছিলো আসলে অন্যকিছু ঝরে।
এক পশলা বৃষ্টি তোমার
তরে
বৃষ্টি ভাবো অথচ অশ্রু
ঝরে।
স্বাদ নাওনি তাই ভেবছো
বৃষ্টি মিঠা অমৃত,
